এক নজরে জীবনানন্দ দাশ

0
93

পাবনার কণ্ঠ ডটকম:

রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। তার কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে গ্রাম-বাংলার প্রকৃতি ফুটে উঠেছে। প্রেম বিরহের বিচিত্র রূপ তার কবিতার অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয়। জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের অমর সাহিত্যিক হিসেবে আমাদের আজীবন প্রেরণা দিয়ে যাবে। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি (বাংলা ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫) বরিশাল জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক। মা কুসুমকুমারী দাশ সাংসারিক কাজের ফাঁকে ফাঁকে কবিতা রচনা করতেন। জীবনানন্দ মায়ের কাছ থেকেই সাহিত্যচর্চা ও কবিতা রচনার প্রেরণা লাভ করেন। ১৯১৯ সালে তার লেখা একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। এটিই তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা। কবিতাটির নাম বর্ষা আবাহন। এটি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার ১৩২৬ সনের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। তখন তিনি শ্রী জীবনানন্দ দাশগুপ্ত নামে লিখতেন। ১৯২৭ সাল থেকে তিনি জীবনানন্দ দাশ নামে লিখতে শুরু করেন। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি তিনি । তাঁকে বাংলাভাষার “শুদ্ধতম কবি” বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

কাব্যগ্রন্থ-ঝরা পালক (১৯২৭), ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬) , বনলতা সেন (১৯৪২) ,এটি “কবিতাভবন সংস্করণ” নামে অভিহিত। সিগনেট প্রেস বনলতা সেন প্রকাশ করে ১৯৫২-তে।, মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮) , জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪),  রূপসী বাংলা (১৯৫৭) , বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১) ।

তার অন্যতম উপন্যাস : মূল্যবান (১৯৭৩), সতীর্থ (১৯৭৭), চারজন , পূণিমা ।

পুরস্কার: নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলন ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে পরিবর্ধিত সিগনেট সংস্করণ বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩৫৯-এর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ বিবেচনায় পুরস্কৃত করা হয়। কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ফেব্রুয়ারি মাসে জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। বনলতা শুধু মানব মনেই নয় ,সাহিত্য কে সমৃদ্ধ করেছে ।

জীবনানন্দ দাশের  অন্য নাম মিলু। তার স্ত্রীর নাম লাবন্য গুপ্ত। ১৯৫৪ সালে এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তিনি কলকাতায় ২২ অক্টোবর পরলোকগমন করেন। তার সমাধি ভারতে। রূপসী বাংলা তার সর্বাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here