পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হবে মহিমান্বিত এই রজনীর আনুষ্ঠানিকতা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে পাবনা সহ সারাদেশে এই পবিত্র রাতটি পালন করবেন।
মহান আল্লাহ তাআলা লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দান করেছেন, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম বলে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয় এবং মুমিন বান্দারা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য ও মাগফিরাত লাভের অসীম সুযোগ পান।
পবিত্র রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই মানবজাতির হেদায়েতের আলোকবর্তিকা আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। এই বিশেষ গুরুত্বের কারণে মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদ ও বাসা-বাড়িতে রাতভর ইবাদতে মশগুল থাকবেন।
পবিত্র এই রজনীতে মুসলমানরা নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অতিবাহিত করবেন। আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় আল্লাহর দরবারে অশ্রুসিক্ত প্রার্থনা জানাবেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।
পবিত্র শবে কদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বেতার কেন্দ্রগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে। সংবাদপত্রগুলোতে এই রজনীর মহিমা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে বিশেষ নিবন্ধ ও সম্পাদকীয়।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ ওয়াজ মাহফিল ও ইবাদতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় সারা দেশের প্রতিটি জনপদ আজ রাতে এক পবিত্র ও আধ্যাত্মিক আমেজ ধারণ করবে।