জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে দেশের মান-মর্যাদা বারবার অন্য দেশের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এখন থেকে তা আর হতে দেওয়া যাবে না। দেশে কোনো আধিপত্যবাদীদের স্থান হবে না। এসব পরিবর্তনের জন্য একটি মৌলিক রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রয়োজন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি দশ দলীয় জোট সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে দেশে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে যারা সাধারণ মানুষের ঘাম ঝরানো অর্থ লুটে নেয়, তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, ৬ আগস্টের পর থেকে কিছু লোক চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। “আমরা স্পষ্ট করে বলেছি—চাঁদা নেব না, দুর্নীতি করব না। সরকার গঠন করতে পারলে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করা হবে,” বলেন জামায়াত আমির।
পাবনাবাসীর কাছে ভোট প্রার্থনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বস্তাপচা রাজনীতিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে। প্রথম ভোট হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার জন্য এবং দ্বিতীয় ভোট হবে সরকার গঠনের জন্য। তিনি বলেন, “দশ দল মানেই বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশকে ভোট দেবেন। পাবনায় দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করলে আপনাদের আমাদের কাছে যেতে হবে না, আমরা খুঁজে খুঁজে আপনাদের কাছে যাবো।”
জনসভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পাবনা-৪ আসনের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল গাফফারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান, পাবনা-২ আসনের অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন, পাবনা-৩ আসনের মাওলানা আলী আছগার, পাবনা-৫ আসনের প্রিন্সিপাল ইকবাল হুসাইনসহ দশ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।