তারেক খান: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ফতে মোম্মদপুর এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মিলনের একমাত্র ছেলে মো. রিদয়কে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে নেপাল ও পরে ভারতে পাচারের অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার আদম ব্যবসায়ী হারুন রশীদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে রিদয় ভারতীয় একটি কারাগারে আটক থাকলেও চার মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের প্রথম দিকে বগুড়ার হারুন রশীদের সঙ্গে প্রবাসী মিলনের পরিচয় হয়। পরে ইউরোপে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে তিনি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। ওই বছরের ১২ নভেম্বর রিদয়কে নেপালে পাঠানো হলেও তাকে প্রতিশ্রুত গন্তব্যে না পাঠিয়ে ছয় মাস নেপালে আটকে রাখা হয়। এরপর গোপনে ভারত সীমান্তে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে ভারতীয় পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায়।
ঘটনার পর প্রবাসী মিলন মানবপাচার ও প্রতারণার অভিযোগে ১৫ জুন ২০২৫ তারিখে পাবনা আদালতে মামলা করেন (মামলা নং: CR-৭২৫/২০২৫, ঈশ্বরদী)। তবে চার মাস অতিক্রান্ত হলেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনও আদালতে জমা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
মিলন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতায় মামলার অগ্রগতি থেমে রয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার তদন্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত রিদয়কে দেশে ফিরিয়ে আনতে ও মানবপাচারকারী এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরকারের কাছে।