ফজলুল হক, পাবনা: পাবনা-১ আসনের সীমানা পরিবর্তনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বেড়া উপজেলার স্থানীয় জনগণ।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কয়েকশ মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আগে পাবনা-১ আসনে সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার অংশবিশেষ অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনে সাঁথিয়া উপজেলাকে আলাদা করে পাবনা-১ আসনে রাখা হয়েছে এবং বেড়াকে পাবনা-২ আসনে সুজানগরের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, জনমতের পরোয়া না করে নির্বাচন কমিশন ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংগ্রাম পরিষদের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নতুন প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আগের সীমানা বহাল না করা পর্যন্ত তারা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
মানববন্ধনে অংশ নেন ফজলুর রহমান ফকির বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন ইকবাল বেড়া পৌর বিএন পি সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকসেদ আলী সাংগঠনিক সম্পাদক বেড়া পৌর বিএনপি মইনুদ্দিন খাজা যুগ্ন সম্পাদক বেড়া পৌর বিএনপি মইনুল হক যুগ্ন সম্পাদক বেড়া পৌর বিএনপি জাহাঙ্গীর মোল্লা আহবায়ক বেড়া পৌরযুবদল মোহাম্মদ নয়ন আলী সাধারণ সম্পাদক বেড়া পৌর তাঁতি দল সহো আরো অনেকে।
বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচি শেষে প্রথমে জেলা প্রশাসকের কাছে এবং পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফকিরের সাক্ষরিত স্মারকলিপি জমা দেন নেতৃবৃন্দ।
ফজলুর রহমান ফকির বলেন, “একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্তের অংশ হিসেবে বেড়াকে সাঁথিয়া থেকে আলাদা করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে দুটি এলাকা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে অভিন্ন। ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া এ সিদ্ধান্ত আমরা মানি না। পূর্বের আসন বিন্যাস পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”