দেশের বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ার পরও পাবনা রেলওয়ে স্টেশন এখনও জনসাধারণের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ। দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্টেশনে সারাদিনে মাত্র একটি ট্রেন চলাচল করে। বারবার শিডিউল পরিবর্তনের কারণে স্থানীয় মানুষদের জন্য ট্রেনের কার্যকারিতা প্রায় শূন্যে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকায় সরাসরি ট্রেন না থাকায় তাদের সড়কপথে দীর্ঘ যাত্রা করতে হয়। হাজার কোটি টাকা খরচের স্টেশন থাকলেও তাদের এখনো বাসে যাতায়াত করতে হয়।
পাবনার মঝগ্রাম থেকে ঢালারচর পর্যন্ত ৭৯ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হয় যার যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে মঝগ্রাম-পাবনা পর্যটন ট্রায়ালে মধ্য দিয়ে। বর্তমানে এই রেলে ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ নামে মাত্র একটি ট্রেন চলাচল করছে। অন্যদিকে ঢাকা বা অন্যান্য জেলায় যেতে পাবনার বাসিন্দাদের ঈশ্বরদী অথবা চাটমোহর রেল স্টেশন ব্যবহার করতে হয়। ঢাকা গামী চারটি ট্রেনে পাবনার জন্য বরাদ্দ মাত্র ১৫০টি সিট।
২৪ ঘণ্টায় একবার ট্রেন চলাচলের কারণে দিনের বাকি সময় স্টেশনটি নিরব। প্ল্যাটফর্মে নেই যাত্রী কোলাহল, নেই প্রহরীদের ব্যস্ততা। স্টেশন ভবনের কক্ষগুলোতে ঝুলছে ভারী তালা।
সম্প্রতি পাবনা সফরে এসে আশ্বাস দিয়েছেন রেল সচিব – অতি দ্রুতই পাবনা থেকে চলবে রাজধানীমুখী ট্রেন। তবে এই অপেক্ষার শেষ কোথায় এটাই এখন পাবনাবাসীর প্রশ্ন?